প্রসঙ্গ: আল্লাহর রাসূল ﷺ সামনে যেভাবে দেখতেন পিছনেও তেমনি দেখতেন।

রাসুল ﷺ কে আল্লাহ তায়ালা মানব হিসেবে যদিও প্রেরণ করেছেন তবুও তিনাকে এমন কতিপয় বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা প্রদান করেছেন যা অন্যান্য মানব থেকে আলাদা মর্যাদার অধিকারী বানিয়ে দিয়েছে। তেমনিভাবে, প্রত্যেক নবীকে যেমন দিয়েছেন মুজি'যা তেমনি প্রিয় নবীজিকেও দিয়েছেন অসংখ্য মুজিযা যা অন্যান্য নবিদের পর্যন্ত প্রদান করেননি। 

সেহেতু ওনার একটি মুজিযা ছিল, "প্রিয় নবীজির সামনের এবং পিছনের দিক অবলোকন করা"।


হাদীস শরীফে এসেছে_

রাসূল ﷺ বলেন:

والله إني لأرى من خلفي كما أرى من بين يدي-

অর্থাৎ "আল্লাহর শপথ নিশ্চয়ই আমি আমার পিছনের দিকেও দেখি যেভাবে আমার সামনের দিকে দেখি"।

(মুসনাদে আহমদ,হা-৯৭৯৬, সহিহ ইবনে খুজায়মা,হা-৬৬৪, মিশকাত,হা-৮৮১, মুস্তাদরাকে হাকেম,হা-৮৬১, জামেউল আহাদীস,হা-২৬২৩৫, কানযুল উম্মাল,হা-২০১০২)


হাদিসের মান: সহিহ।


✿আহলে হাদিসদের (ওয়াহাবী-নজদীদের) শায়খ আলবানীও এটাকে শুদ্ধ বলে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন। আর তিনি বলেন_

"এটা রাসুল এর মর্যাদা এবং তার মু'জিযা"।

(তাহকীকাতু মিশকাত:১/২৫৫)


✿দেওবন্দী শায়খ আল্লামা আশরাফ আলী থানবী সাহেব তার কিতাবের মধ্যে রাসূল ﷺ এর বৈশিষ্ট্য অধ্যায়ে এটাকে তুলে ধরেছেন।

(নশরুত ত্বীব,পৃ.-১৯৪,২৪ নং অধ্যায়)


উল্লেখ্য, তিনি এই কিতাবে রাসূল ﷺ এর নূর, ইলমে গায়েব, মুজিযা এবং নবুয়ত কখন সাবিত হয়েছে এই বিষয়ে সুন্দর আলোচনা করেছেন যা মাসলাকে আলা হযরতের সাথে সামঞ্জস্যশীল।


শারিহে বুখারী আল্লামা শিহাবুদ্দীন কাস্তালানি রহিমাহুল্লাহ কৃত মাওয়াহেবে রাসূল ﷺ এর বৈশিষ্ট্যে এভাবে উল্লেখ করেন যে_

"তিনি সামনে যেভাবে দেখতেন পিছনেও সেভাবে দেখতেন"।

(মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়্যাহ-২/৩৪০)

________________

মাআস সালাম~

#𝕛𝕚𝕙𝕒𝕕_𝕞𝕒𝕙𝕞𝕦𝕕

লিখকের ফেসবুক একাউন্ট দেখতে এখানে ক্লিক করুন।




মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শিয়াবাদের মুখোশ উন্মোচন -(১)

মাসলাকে আ'লা হযরতের বিভিন্ন গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান: